Tuesday, 04 August, 2026
Logo
বিজ্ঞাপন
যাবতীয় রড, সিমেন্ট, ইট, বালি ও কনা পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করা হয় ।। যোগাযোগ- মেসার্স হোসেন ব্রাদার্স/ জাকের ট্রেডার্স।। সোবান মঞ্জিল, বসুর হাট রোড, সিনেমা হলের পাশে, দাগনভুইয়া, ফেনী। প্রোপ্রাইটর জাকের হোসেন আলমগীর ০১৭১১-৯৬২৯২৫।। ০১৮৭১-৯৩০০০৮ মেসার্স কে আহাম্মদ এন্ড সন্স! পরিবেশক,বি এম, ডেল্টা ও ইউনি এল পি গ্যাস! যোগাযোগ- বসুরহাট রোড, সিনেমা হলের সামনে, দাগনভুইয়া, ফেনী- ০১৭১১-৩০৪৮৭৩, ০১৮৩৯-৩৯৭১৩০! দাগনভুইয়া ফিজিওথেরাপী সেন্টার, একটি আধুনিক বাত, ব্যথা, প্যারালাইসিস ও মুখ বাঁকা চিকিৎসা কেন্দ্র। ঠিকানা- সোবহান মঞ্জিল, বসুর হাট রোড। (সাবেক ঝর্না সিনেমা হলের পাশে)। দাগনভুইয়া, ফেনী। 01818-019684, 01721-910110 সর্বাধুনিক মেশিনে রোগ নির্নন ও বিশেষজ্ঞ ডক্টর চেম্বার।। ফেনী ল্যাব সিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার।। এস এস কে রোড়, ফেনী।। 01711375108/ 01815507975

আসুন সবাই মিলে দেশটাকে পরিষ্কার ও সুন্দর রাখি

অনলাইন ডেস্কঃ

প্রকাশিত: / বার পড়া হয়েছে


ফাইল ফটো

দেশকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, “আসুন, আমরা সবাই মিলে আমাদের দেশটাকে পরিষ্কার ও সুন্দর রাখার চেষ্টা করি। এতে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ দেশ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।”

সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় দেশবাসীর উদ্দেশে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ কেবল একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির বিষয় নয়; এটি সমাজের প্রতিটি মানুষের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাঁর ভাষায়, ৩০ থেকে ৪০ বছর আগের তুলনায় বর্তমানে ঢাকা শহরসহ দেশের জেলা, উপজেলা ও গ্রামাঞ্চলের সড়ক, বাজার এবং জনসমাগমস্থলে প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট, ব্যবহৃত টিস্যুসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য যত্রতত্র ফেলে রাখার প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে।

বর্জ্য যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ প্রতিদিন হেঁটে বা গণপরিবহনে চলাচল করেন। রাস্তাঘাটে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকলে সাধারণ মানুষকে নানা ধরনের ভোগান্তির পাশাপাশি দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মুখোমুখি হতে হয়।

তিনি বলেন, “আমরা যদি সবাই একটু সচেতন হই এবং ব্যবহৃত বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলি, পরে সেগুলো সঠিকভাবে অপসারণ বা ধ্বংস করা হয়, তাহলে পরিবেশ যেমন পরিচ্ছন্ন থাকবে, তেমনি দেশও আরও সুন্দর হয়ে উঠবে।”

নিজের বাসার উদাহরণ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেউই চান না নিজ ের ঘর বা বাড়ির চারপাশে ময়লা-আবর্জনা ছড়িয়ে থাকুক। একইভাবে আমাদের দেশও আমাদের সবার ঘর। তাই দেশের প্রতিটি স্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা সবার দায়িত্ব।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক পুকুর ও জলাশয়ের ভেতরে কিংবা আশপাশে বর্জ্যের স্তূপ চোখে পড়েছে। অথচ একসময় এসব স্থানে মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে সময় কাটাতেন।

তিনি আরও বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা অনেক জায়গা পরিষ্কার করলেও পরে আবার সেখানে আবর্জনা ফেলা হয়। যদি সবাই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখেন, তাহলে পরবর্তীতে সেখানে আসা অন্যরাও একটি সুন্দর পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন।

সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ থেকেই যদি প্রত্যেকে নিজের ব্যবহৃত বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলেন, তাহলে ধীরে ধীরে বাংলাদেশকে আবর্জনামুক্ত ও আরও বাসযোগ্য করে তোলা সম্ভব হবে।

সবশেষে দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশটা আমাদের সবার। আমরা সবাই একসঙ্গে চেষ্টা করলে বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব। পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে আপনাদের সহযোগিতা চাই।”

Share

আরো খবর


সর্বাধিক পঠিত